চিলিতে চলতি বছরের প্রথমার্ধে চীনে তৈরি গাড়ি বিক্রি হয়েছে সবচেয়ে বেশি
  2018-08-11 18:59:33  cri

 


১. যুক্তরাষ্ট্রের ১৬০০ কোটি ডলার মূল্যের রফতানিপণ্যের ওপর ২৩ অগাস্ট দুপুর ১২টা ১ মিনিট থেকে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত কার্যকর করবে চীন। সম্প্রতি চীনের রাষ্ট্রীয় পরিষদের অনুমোদনে দেশটির শুল্ক কমিটি এ-সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

উল্লেখ্য, ওই একই সময়ে চীনের ১৬০০ কোটি ডলার মূল্যের রফতানিপণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। মার্কিন সিদ্ধান্তের সমমানের জবাব হিসেবে চীন এই পাল্টা-ব্যবস্থা গ্রহণ করল।

২. এদিকে, চলতি মাসের ২৩ তারিখ থেকে চীনের ১৬০০ কোটি ডলার মূল্যের রফতানিপণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক কার্যকর করার যে-সিদ্ধান্ত ট্রাম্প প্রশাসন নিয়েছে, আমেরিকান চেম্বার অব কমার্সসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন মহল থেকে তার সমালোচনা করা হয়েছে। মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় সম্প্রতি উক্ত শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত কার্যকরের ঘোষণা দেয়।

আমেরিকান চেম্বার অব কমার্সের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মাইরন ব্রিলিয়ান্ট বলেন, চীনা পণ্যের ওপর এই অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ মার্কিন অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং এতে মার্কিন কৃষক, জেলে, কারখানার শ্রমিক নির্বিশেষ সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই দু'দেশের উচিত আলোচনার টেবিলে ফিরে আসা এবং একযোগে সংশ্লিষ্ট সমস্যার সমাধান করা।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের জর্জ ম্যাসন ইউনিভার্সিটির অর্থনীতির অধ্যাপক ডোনাল্ড জে বুদ্রো বলেন, শুল্কের নেতিবাচক প্রভাব অন্য দেশের ওপর পড়বে না; খোদ যুক্তরাষ্ট্রকেই এর কুফল ভোগ করতে হবে। যদি ট্রাম্প প্রশাসন বর্তমান বাণিজ্যনীতি আঁকড়ে ধরে রাখে, তবে মার্কিন অর্থনীতির উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে।

৩. এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র্রের আরও ৬০০০ কোটি ডলার মূল্যের ৫২০৭টি রফতানিপণ্যের ওপর ৫ থেকে ২৫ শতাংশ হারে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে চীন। দেশটির রাষ্ট্রীয় পরিষদের কাস্টম্স ট্যারিফ কমিশন সম্প্রতি এ-সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

এক বিবৃতিতে কমিশন বলেছে, চীন এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে। কারণ, ইতোমধ্যে চীনের আরও ২০,০০০ কোটি ডলার মূল্যের রফতানিপণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ থেকে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এখন যদি যুক্তরাষ্ট্র সিদ্ধান্ত মোতাবেক চীনা পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত কার্যকর করে, তবে চীনও তাৎক্ষণিকভাবে তার সিদ্ধান্ত কার্যকর করবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র চীনা রফতানিপণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনার-মাধ্যমে-পৌঁছানো দ্বিপক্ষীয় ঐকমত্যের বিরুদ্ধাচরণ করেছে এবং বাণিজ্যযুদ্ধকে আরও উস্কে দিয়েছে। তা ছাড়া, মার্কিন সিদ্ধান্ত বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সংশ্লিষ্ট আইন লঙ্ঘন করেছে; বৈশ্বিক অবাধ বাণিজ্য-ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে; চীন ও চীনের জনগণের স্বার্থে আঘাত করেছে। এর ফলে বিশ্ব অর্থনীতি এবং খোদ মার্কিন অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

৪. এদিকে, চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, চীনা রফতানিপণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের মার্কিন সিদ্ধান্তের জবাবে বেইজিং যে পাল্টা-ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, তা যৌক্তিক ও সংযত।

সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র সাংবাদিকদের বলেন, অনেক বিচার-বিবেচনার পর চীন যুক্তরাষ্ট্রের ৬০০০ কোটি ডলার মূল্যের রফতানিপণ্যের ওপর ৫ থেকে ২৫ শতাংশ হারে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এক্ষেত্রে জনগণের স্বার্থ, সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর স্বার্থ, এবং বৈশ্বিক শিল্পচেইনের স্বার্থ বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

মুখপাত্র আরও বলেন, চীন বরাবরই আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সব ধরনের বাণিজ্য-বিরোধ মেটানোর পক্ষপাতি। চীন বিশ্বাস করে, একতরফা সিদ্ধান্ত বা ব্ল্যাকমেইলিং সকল পক্ষের জন্যই ক্ষতিকর।

৫. নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রবার্ট সলোমন সম্প্রতি সিনহুয়াকে বলেছেন, ট্রাম্প প্রশাসন যদি চীনের বিরুদ্ধে বাণিজ্যযুদ্ধ অব্যাহত রাখে, তবে যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা ও কোম্পানিগুলো ভোগান্তির শিকার হবে। কারণ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্পর্কে ট্রাম্প প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গি ত্রুটিপূর্ণ।

অধ্যাপক সলোমন বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিশেষ করে বাণিজ্য-ঘাটতি সম্পর্কে ট্রাম্প প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গি ও বোঝাপড়া ত্রুটিপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের বাণিজ্য-উদ্বৃত্ত যেমন আছে, তেমনি চীন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারিও ক্রয় করছে। আর এভাবে অনেক পন্থার মধ্যে এই পথেও মার্কিন ডলার যুক্তরাষ্ট্রেই ফেরত আসছে। আসলে চীন প্রকারান্তরে মার্কিন ভোক্তাদের এক ধরনের ভর্তুকি দিচ্ছে।

অধ্যাপক সলোমন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন বলে থাকে যে, তারা সেসব চীনা পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করছে, যেগুলো মার্কিন ভোক্তারা সরাসরি ব্যবহার করে না। কিন্তু বাস্তবে ভোক্তারা ঠিকই ভোগান্তির শিকার হয়। কারণ, যেসব কাঁচামালের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হচ্ছে, সেসব কাঁচামাল দিয়ে তৈরি পণ্য শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের তুলামূলকভাবে বেশি দাম দিয়েই কিনতে হয়।

তিনি আরও বলেন, কিছু নির্দিষ্ট দুর্বল শিল্পকে রক্ষার চেষ্টাও ট্রাম্প প্রশাসনের ভুল সিদ্ধান্ত। কোনো কোনো শিল্পে ভর্তুকি দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাজার অর্থনীতির নীতিবিরুদ্ধ।

৬. এদিকে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর প্রধান অর্থনীতিবিদ মরিস অবস্ফেল্ড সম্প্রতি বলেছেন, অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের মাধ্যমে বাণিজ্য-ঘাটতি কমানোর মার্কিন প্রচেষ্টা সঠিক নয়; দেশটি এক্ষেত্রে বিপথে চলছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, বাণিজ্য-ঘাটতি সম্পর্কে ট্রাম্প প্রশাসনের ভুল দৃষ্টিভঙ্গি দেশটিকে আরও বেশি সংরক্ষণবাদের দিকে ঠেলে দিতে পারে। এতে বৈশ্বিক বাণিজ্যে ভারসাম্যহীনতা সমস্যার সমাধান হবে না, বরং বাণিজ্যে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটবে।

৭. চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে চীনের পণ্যবাণিজ্য গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৮.৬ শতাংশ বেড়েছে। এই সাত মাসে পণ্যবাণিজ্য হয়েছে ১৬.৭২ ট্রিলিয়ন ইউয়ান মূল্যের। চীনের জেনারেল এডমিনিস্ট্রেশান অব কাস্টমস্‌ এ-তথ্য জানায়।

এই সাত মাসে চীনের রফতানি বেড়েছে ৫ শতাংশ এবং আমদানি বেড়েছে ১২.৯ শতাংশ। ফলে সার্বিকভাবে বাণিজ্য-উদ্বৃত্ত দাঁড়িয়েছে ১.০৬ ট্রিলিয়ন ইউয়ানে, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৩০.৬ শতাংশ কম।

এদিকে, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে চীনের বৃহত্তম বাণিজ্য-অংশীদার ছিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

৮. চীনের শাংহাইয়ে উন্মুক্তকরণসংশ্লিষ্ট ২৩টি পরীক্ষামূলক প্রকল্পের ৯টি ইতোমধ্যেই বাস্তবায়িত হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় বাকিগুলোও বাস্তবায়িত হবে। শাংহাই পৌর উন্নয়ন ও সংস্কার কমিটির অর্থনীতি বিভাগের মহাপরিচালক কুও ইয়ু সম্প্রতি এ-তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, মাত্র তিন মাসে শাংহাইয়ের অশোধিত তেলের বাজার বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম বাজারে পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি, ফিলিপিন্স, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সিঙ্গাপুরসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দেশের ব্যাংকগুলো ইতোমধ্যেই ৪০০ কোটি ইউয়ানের বেশি মূল্যের ঋণপত্র বাজারে ছেড়েছে।

তিনি আরও জানান, চলতি বছরের প্রথমার্ধে শাংহাইয়ে নতুন বৈদেশিক পুঁজির পরিমাণ দাঁড়ায় ২১৫০ কোটি মার্কিন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৮.১ শতাংশ বেশি। আর্থিক খাতে উন্মুক্তকরণ প্রক্রিয়া শাংহাইয়ের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বলে জানান তিনি।

৯. চীনের এসএফ এক্সপ্রেস শেন চো 'পাও আন' আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ভারতের চতুর্থ বৃহত্তম শহর চেন্নাইয়ের বিমানবন্দর পর্যন্ত সরাসরি মালবাহী ফ্লাইট চালু করেছে। সম্প্রতি এ-রুটের প্রথম বিমানটি ৫ ঘন্টায় চীন থেকে ৪৩০০ কিলোমিটার অতিক্রম করে চেন্নাই পৌঁছায়।

বর্তমানে এসএফ এক্সপ্রেস ডেলিভারি কোম্পানি যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, রাশিয়া, জাপান ও মালয়েশিয়াসহ ৫৩টি দেশে সেবা দিচ্ছে।

পরিসংখ্যান অনুসারে, চলতি বছরের প্রথমার্ধে চীনের মূল ভূখণ্ড থেকে বিভিন্ন দেশ এবং তাইওয়ান, হংকং ও ম্যাকাওয়ে শুধু এসএফের এক্সপ্রেস ডেলিভারির সংখ্যা ছিল ৫২ কোটি, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪০ শতাংশ বেশি।

১০. চিলিতে চলতি বছরের প্রথমার্ধে চীনে তৈরি গাড়ি বিক্রি ছিল সবচেয়ে বেশি। এই প্রথম চীনের গাড়ি চিলির বাজারের শীর্ষস্থানটি দখল করেছে। চিলির স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে এ-তথ্য উঠে এসেছে।

খবর অনুসারে, এক দশকেরও কম সময় আগে চীনের গাড়ি চিলির বাজারে প্রবেশ করে। চলতি বছরের প্রথমার্ধে চিলিতে যত গাড়ি বিক্রি হয়েছে তার ১৫.৬ শতাংশই চীনে তৈরি গাড়ি। এসময় চীনে তৈরি গাড়ি বিক্রি হয় ৩১,০০০। আর এসময় চিলিতে মোট গাড়ি বিক্রি হয় দুই লক্ষাধিক।

১১. বাকি বিশ্বের সঙ্গে কানাডার পণ্যবাণিজ্যে ঘাটতি নাটকীয়ভাবে কমেছে। জুন মাসে ঘাটতি ছিল ৬২৬ মিলিয়ন কানাডীয় ডলার, যা ২০১৭ সালের জানুয়ারির পর সবচেয়ে কম। সম্প্রতি 'পরিসংখ্যান কানাডা' এ-তথ্য জানায়।

জুনে আগের মাসের চেয়ে কানাডা পণ্য রফতানি করেছে ৪.১ শতাংশ বেশি। এমাসে দেশটির পণ্যরফতানির পরিমাণ ছিল ৫০৭০ কোটি কানাডীয় ডলার।

১২. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে ২০২৫ সাল নাগাদ বিনিয়োগ ২৩,২০০ কোটি ডলারে পৌঁছাবে, যা বর্তমানের চেয়ে প্রায় ১৮ গুণ বেশি। সম্প্রতি নেদারল্যান্ডসভিত্তিক অডিট প্রতিষ্ঠান কেপিএমজি এক পূর্বাভাসে এমনটাই জানিয়েছে।

কেপিএমজির তথ্যমতে, আগামী সাত বছরে এআই খাতে বিনিয়োগ দ্রুত বাড়বে। বর্তমানে এ-খাতে বিনিয়োগ ১২৪০ কোটি ডলার। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে অনেকে হতাশাও প্রকাশ করছেন। কয়েক মাস আগে চীনভিত্তিক ই-কমার্স জায়ান্ট আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী চেয়ারম্যান জ্যাক মা বলেন, মানবজাতির জন্য বড় হুমকি এআই প্রযুক্তি।

ভবিষ্যতে আমাদের কর্মক্ষেত্রের গুরুত্বপূর্ণ অংশ দখল করবে মেশিন। পিডব্লিউসি প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী দুই দশকে এআই ৭২ লাখ লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে। পাশাপাশি একই সময় এআইয়ের কারণে সাত লাখ লোক কাজ হারাবে।

১৩. ভারতের অশোক লেল্যান্ডের কাছ থেকে ৩০০টি দোতলা বাস কেনার প্রস্তাবে সায় দিয়েছে বাংলাদেশের সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে সম্প্রতি ঢাকার সচিবালয়ে ক্রয় কমিটির সভায় এসব গাড়ি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

ভারতীয় লাইন অব ক্রেডিটের আওতায় 'বিআরটিসির জন্য দ্বিতল, একতলা এসি ও নন-এসি বাস সংগ্রহ' প্রকল্পের আওতায় ১০ শতাংশ যন্ত্রাংশ ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সেবাসহ ৩০০টি দোতলা বাস ভারতের অশোক লেল্যান্ড সরবরাহ করবে। এতে ব্যয় হবে ২৩৯ কোটি ৬ লাখ টাকা।

(আলিমুল হক)

© China Radio International.CRI. All Rights Reserved.
16A Shijingshan Road, Beijing, China. 100040