Web bengali.cri.cn   
বছরের প্রথমার্ধে চীনা কোম্পানি হুয়াওয়ের রাজস্ব বেড়েছে ৩০ শতাংশ: ব্লুমবার্গ
  2019-07-27 14:24:44  cri

১. চলতি বছরের প্রথমাধ্যে চীনের টেক জায়ান্ট হুয়াওয়ের রাজস্ব বেড়েছে ৩০ শতাংশ। ব্লুমবার্গ সম্প্রতি এ তথ্য জানিয়েছে। অবশ্য, বছরের প্রথম তিন মাসে কোম্পানির রাজস্ব বেড়েছিল ৩৯ শতাংশ হারে। ব্লুমবার্গ বলছে, রাজস্ব বৃদ্ধির জন্য যেসব কর্মকর্তা ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে, হুয়াওয়ে তাদের পুরস্কৃত করেছে। তবে, ব্লুমবার্গের রিপোর্টের ব্যাপারে হুয়াওয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি ট্রাম্প প্রশাসন, জাতীয় নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে, হুয়াওয়েকে কালো তালিকাভুক্ত করে। এতে মার্কিন সাপ্লায়াররা হুয়াওয়ের কাছে যন্ত্রপাতি বিক্রি করতে পারছে না। হুয়াওয়ে বিশ্বের বৃহত্তম টেলিকমিউনিকেশান যন্ত্রপাতি উত্পাদক কোম্পানি এবং বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্মার্টফোন উত্পাদনকারী।

২. চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসে বিদেশে চীনের বিনিয়োগ ছিল ৩৪ হাজার ৬৮০ কোটি ইউয়ান, যা গেল বছরের একই সময়ের তুলনায় ০.১ শতাংশ বেশি। চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা হান ইউং জানান, চলতি বছরের প্রথমার্ধে 'এক অঞ্চল, এক পথ' উদ্যোগসংশ্লিষ্ট ৫১টি দেশ ও অঞ্চলে চীন বিনিয়োগ করেছে তার মোট বিনিয়োগের ১২.৬ শতাংশ। ফ্রান্স, ফিনল্যান্ড এবং পেরুসহ ৪২টি দেশ ও অঞ্চলে চীনা কোম্পানিগুলো ১৬১টি একীভূত বা অধিগ্রহণ করেছে। এক্ষেত্রে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১৬৯৫ কোটি মার্কিন ডলার এবং এর মধ্যে সরাসরি বিনিয়োগ ছিল ৯২২ কোটি ডলার।

৩. সম্প্রতি চীনের শীর্ষ ৫০০ কোম্পানির নামের তালিকা প্রকাশ করেছে 'ফরচুন চায়না'। ফরচুন চায়নার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যানুসারে, এই ৫০০ কোম্পানির অপারেটিং রাজস্ব ৪৫.৫ ট্রিলিয়ন ইউয়ানে পৌঁছেছে, যা আগের বছরের চেয়ে ১৪.৮ শতাংশ বেশি। তবে, কোম্পানিগুলোর নেট মুনাফা বেড়েছে মাত্র ৪.২১ শতাংশ।

তালিকা অনুসারে, তালিকার প্রথম তিনটি কোম্পানি হচ্ছে: চায়না পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড কেমিক্যাল কর্পোরেশান, চায়না ন্যাশনাল পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশান, ও চায়না স্টেট কনস্ট্রাকশান ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশান।

প্রকাশিত তথ্যানুসারে, টেক জায়ান্ট আলিবাবা ও টেনসেন্টসহ ইন্টারনেট সেবা খাতের কোম্পানিগুলোর মোট রাজস্ব, ৫০০ কোম্পানির মোট রাজস্বের মাত্র ২ শতাংশ। তবে, এই কোম্পানিগুলোর বাজারমূল্য প্রায় ১১ ট্রিলিয়ন ইউয়ান বা ৫০০টি কোম্পানির মোট বাজারমূল্যের ২৩.৭ শতাংশ।

এদিকে, তালিকায় স্থান পাওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে গতবছর সবচেয়ে বেশি লাভ করেছে এমন ১০টি কোম্পানির মোট লাভের পরিমাণ ১.৪৬ ট্রিলিয়ন ইউয়ান, যা ৫০০টি কোম্পানির মোট মুনাফার ৪০.৩ শতাংশ।

৪. চীনের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতে চলতি বছরের প্রথমার্ধে বিনিয়োগ করা হয়েছে ৪৩ বিলিয়ন ইউয়ান, যা আগের বছরের একই সময়ের বিনিয়োগের চেয়ে ২৫ শতাংশ বেশি। চীনের বেসামরিক বিমান চলাচল প্রশাসন এ তথ্য জানিয়েছে।

বছরের প্রথম ছয় মাসে চীনের বেসামরিক বিমান চলাচল খাত ১০২টি নতুন আন্তর্জাতিক রুট চালু করেছে। ফলে আন্তর্জাতিক রুটে যাত্রীসংখ্যা বেড়েছে ১৬.৫ শতাংশ।

৫. সম্প্রতি চীন-ভেনেজুয়েলা ও চীন-ল্যাটিন আমেরিকা সহযোগিতার সম্পর্ক নিয়ে একাধিকবার অভিযোগ করেছেন মার্কিন সরকারি কর্মকর্তারা। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কেং শুয়াং এসব অভিযোগকে 'ভিত্তিহীন' বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, মার্কিন অভিযোগ একটি প্রবাদবাক্যের কথা মনে করিয়ে দেয়, আর সেটি হচ্ছে: আঙুর ফল টক।

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ কমান্ডের কমান্ডার চার্লস ফলার বলেছেন, চীন ভেনেজুয়েলার বৃহত্তম ঋণদাতা দেশ দেশ এবং চীনের কারণে ভেনেজুয়েলার জনগণ ঋণভারে জর্জরিত। এ প্রসঙ্গে কেং শুয়াং বলেন, গেল কয়েক বছর ধরে পারস্পরিক সম্মান ও কল্যাণের ভিত্তিতে চীনíVভেনেজুয়েলা ও চীন-ল্যাটিন আমেরিকা সহযোগিতা চলে আসছে। দু'পক্ষের জনগণই এর থেকে উপকৃত হয় এবং স্থানীয় অর্থনীতি ও সমাজ উন্নয়নে এ সহযোগিতা অবদান রাখে। ভেনেজুয়েলা ও ল্যাটিন আমেরিকার মানুষ এমন সহযোগিতাকে স্বাগত জানিয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে মার্কিন কর্মকর্তার অভিযোগ হাস্যকর। ল্যাটিন আমেরিকার উন্নয়নে আগ্রহী হলে, যুক্তরাষ্ট্রের উচিত আরও বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণ করে ল্যাটিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশের অর্থনীতি ও জীবিকা উন্নয়নে সহায়তা দেওয়া।

৬. এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (এআইআইবি)-র সদস্যসংখ্যা ১০০-তে উন্নীত হতে যাচ্ছে। সম্প্রতি লুক্সেমবুর্গে আয়োজিত এআইআইবি-র পরিষদের চতুর্থ বার্ষিক সম্মেলনে বেনিন, জিবুতি, ও রুয়ান্ডার সদস্যপদের আবেদন গ্রহণ করা হয়। এখন দেশ তিনটি কিছু শর্ত পূরণ করলেই আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যাংকের সদস্য হবে।

বৈশ্বিক অর্থনীতির অস্থিতিশীলতার প্রেক্ষাপটেই এআইআইবি সদস্যসংখ্যা পুনরায় বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ থেকে স্পষ্ট যে, অবকাঠামো নির্মাণ এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় এআইআইবি বহুপক্ষবাদ ও সহনশীলতার পক্ষে। এতে বৈশ্বিক আর্থিক খাতে এআইআইবি'র প্রভাবও দিন দিন বাড়ছে।

২০১৬ সালে এআইআইবি প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ নিয়ে ৯ বার সদস্যদসংখ্যা বাড়ানো হলো। শুরুতে সংখ্যা ছিল ৫৭। সদস্যদের অধিকাংশই উন্নয়নশীল দেশ। তবে ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি ও কানাডাসহ উন্নত দেশগুলোও রয়েছে।

বিগত তিন বছরে, অবকাঠামো নির্মাণকাজ সুসংহত করার মাধ্যমে এশিয়া ও বিশ্বের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অনেক সুযোগ সৃষ্টি করেছে এআইআইবি।

৭. শ্রীলংকার সংসদ সম্প্রতি একটি সরকারি প্রস্তাব পাস করেছে। এ প্রস্তাবে আনুষ্ঠানিকভাবে কলম্বো বন্দর নগরকে রাজধানী কলম্বোর অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

কলম্বো বন্দর নগর 'এক অঞ্চল, এক পথ' উদ্যোগের আওতায় নির্মিত হচ্ছে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ চীন-শ্রীলঙ্কা সহযোগিতামূলক প্রকল্প। পরিকল্পনা অনুসারে, সাগরের ভূমি পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে রাজধানী কলম্বোর কাছে একটি নতুন নগর তৈরি করা হচ্ছে। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে শুরু হয় এ প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ। এতে প্রথম পর্যায়ের বিনিয়োগ ১৪০ কোটি মার্কিন ডলার।

৮. এদিকে, এবারই প্রথম এআইআইবি'র বার্ষিক সম্মেলন ইউরোপে আয়োজন করা হলো। সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ছিল: 'সহযোগিতা ও আন্তঃসংযোগ'। দু'দিনব্যাপী সম্মেলনে প্রতিনিধিরা ডিজিটাল আন্তঃসংযোগ, আন্তঃসীমান্ত অবকাঠামো বিনিয়োগ, এশিয়া-ইউরোপ সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন।

লুক্সেমবুর্গের গ্রান্ড ডিউক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, এশিয়ার বাইরে লুক্সেমবুর্গ হচ্ছে প্রথম দেশ, যে এআইআইবি-তে যোগ দেয়। লুক্সেমবুর্গ দৃঢ়ভাবে বহুপক্ষবাদ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার পক্ষে। এটা বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি অর্জনের সবচেয়ে কার্যকর ব্যবস্থা। ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হবার পর, এআইআইবি বিশ্বের উন্মুক্তকরণ ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে আসছে।

লুক্সেমবুর্গের অর্থমন্ত্রী সম্মেলনে বলেন, এআইআইবি হচ্ছে বহুপক্ষবাদের পক্ষে পৃথিবীর সবচেয়ে আধুনিক ও বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত একটি আর্থিক সংস্থা। বিশ্বে আর্থিক খাতের অনিশ্চয়তা ও বাণিজ্যে সংরক্ষণবাদের প্রবণতা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে, এআইআইবি'র সাফল্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও বহুপক্ষবাদের গুরুত্ব আবারও প্রমাণ করেছে।

৯. বিশ্বে ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। ২০১৮ সালে এই সংখ্যা ছিল ৮২.১৬ কোটি। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদফতর থেকে সম্প্রতি প্রকাশিত 'বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি অবস্থা' শীর্ষক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৫ সালের আগে সারা বিশ্বে ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা ক্রমাগত কমছিল। ২০১৫ সালে বিশ্বে ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা ছিল মোট জনসংখ্যার ১১ শতাংশ।

প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাপী স্থুলতা সমস্যা ক্রমান্বয়ে প্রকট থেকে প্রকটতর আকার ধারণ করছে বলে উল্লেখ করা হয়। ২০১৮ সালে স্থুলতাসংশ্লিষ্ট রোগ-বালাইয়ে মৃত মানুষের সংখ্যা ছিল প্রায় ৪০ লাখ এবং প্রতিটি বয়স-গ্রুপেই স্থুল মানুষ ছিল। এর কারণ হিসেবে সবজি ও ফল কম খাওয়া এবং ফাস্ট ফুড ও কার্বনেটেড পানীয় বেশি খাওয়াকে তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি, নিয়মিত শরীরচর্চা না-করাও এর একটা কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা, শিশু তহবিল, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন সংস্থা, এবং বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি যৌথভাবে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে।

১০. সদ্যসমাপ্ত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের প্রচলিত বাজার ইউরোপ ও আমেরিকার বাইরে উদীয়মান নতুন বাজারে রফতানি বেড়েছে। আলোচ্য সময়ে ইউরোপ ও আমেরিকার চাইতে এসব দেশে অপেক্ষাকৃত বেশি হারে রফতানি হয়েছে। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)-র হিসাব অনুযায়ী, গত অর্থবছরে নতুন বাজারে গার্মেন্টসপণ্য রফতানি হয়েছে ৫৬৮ কোটি ৭১ লাখ মার্কিন ডলারের। এর আগের অর্থবছরে এ পরিমাণ ছিল ৪৬৭ কোটি ডলারের। এর মানে নতুন বাজারে গার্মেন্টসপণ্য রফতানি বেড়েছে প্রায় ২২ শতাংশ বা ১০২ কোটি ডলারের। স্থানীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকারও বেশি।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত অর্থবছরে বাংলাদেশের গার্মেন্টসপণ্য রফতানি বেড়েছে সাড়ে ১১ শতাংশ। এসব বিবেচনায় নতুন বাজারে রফতানি আশাব্যঞ্জক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। বিশেষত নতুন বাজারে রফতানি বাড়াতে সরকারের দেওয়া প্রণোদনা এবং কিছু বাজারে শুল্কমুক্ত রফতানি সুবিধা রফতানি বৃদ্ধিতে বড়ো অবদান রেখেছে বলে মনে করছেন তারা।

বাংলাদেশের গার্মেন্টসপণ্য রফতানি মূলত ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকানির্ভর। রফতানির ৮২ শতাংশই যায় এ দুটি বাজারে। তবে কোনো কারণে এসব বাজারে রফতানি ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা রফতানি তথা দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এমন চিন্তা থেকে সরকার এ দুটি বাজারের বাইরে নতুন ও অপ্রচলিত বাজারে রফতানি বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেয়। এর অংশ হিসেবে এসব বাজারে রফতানির ওপর নগদ সহায়তা দিতে শুরু করে। বর্তমানে নতুন বাজারে রফতানির ক্ষেত্রে ৪ শতাংশ নগদ সহায়তা দেওয়া হয়। ফলে নতুন বাজারে রফতানি বাড়তে শুরু করে। এক দশক আগে নতুন বাজারে মোট গার্মেন্টসপণ্যের ১০ শতাংশ রফতানি হলেও ধীরে ধীরে এই হিস্যা বাড়ছে। সর্বশেষ অর্থবছরে তা প্রায় ১৭ শতাংশে উন্নীত হয়।

নতুন বাজারের তালিকায় রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, চীন, জাপান, ভারত, চিলি, দক্ষিণ কোরিয়া, মেক্সিকো, রাশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্কসহ আরও কয়েকটি দেশ। নতুন বাজারের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গার্মেন্টসপণ্য রফতানি হয়েছে জাপানে। গত অর্থবছরে দেশটিতে ২৯ শতাংশ বেড়ে তৈরি পোশাক রফতানি হয়েছে ১০৯ কোটি ডলারের। অন্যদিকে প্রতিবেশী দেশ ভারতে রফতানি বেড়েছে সবচেয়ে বেশি হারে, ৭৯ শতাংশ। এ ছাড়া, অস্ট্রেলিয়ায় ৭২ কোটি ডলার (প্রবৃদ্ধি সাড়ে ১৩ শতাংশ), চীনে ৫১ কোটি ডলার (প্রবৃদ্ধি ২৯ শতাংশ), কোরিয়ায় ২৮ কোটি ডলার (প্রবৃদ্ধি ৪৫ শতাংশ), ব্রাজিলে ১৬ কোটি ডলার (প্রবৃদ্ধি ১.৩৪ শতাংশ) মূল্যের গার্মেন্টসপণ্য রফতানি হয়েছে। অন্যদিকে, তুরস্কে রফতানি না-বেড়ে উল্টো ২৭ শতাংশ কমেছে।

(আলিমুল হক)

© China Radio International.CRI. All Rights Reserved.
16A Shijingshan Road, Beijing, China. 100040